মৌকরা দরবারে মাইনাস টু র্ফমূলার বাস্তবায়ন

মৌকরা মরহুম পীর সাহেবের পঞ্চম ইন্তেকাল বার্ষিকী সাদা-মাঠা উদযাপন
জামাল উদ্দিন স্বপন :
গত ২ মার্চ কুমিল্লা জেলা নাঙ্গলকোট উপজেলার মৌকরা দরবার মাঠে মরহুম পীর সাহেব মাও: ওলি উল্যাহর পঞ্চম ইন্তেকাল বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উক্ত দরবারের ভন্ড পীর নেছার উদ্দিন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান ছিলেন দৈনিক ইনকিলাবের নির্বাহী সম্পাদক কবি রুহুল আমিন খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকার দারুন্নাজাত কামিল মাদ্রসার মোহাদ্দেস, মাও: ওসমান গণি ছালেহী, উক্ত মাহফিলে আর ওয়াজ করেন মাও: আবু ছায়েম, মৌকারার মাও: আবদুল হালিম ও চাঁদপুরের মাও: আবুল কালাম। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন উপজেলা থেকে বেশ কিছু মুরিদান ও সাধারণ মানুষ অংশ গ্রহণ করে। উক্ত অনুষ্ঠানে মৌকরার পীর নেছার উদ্দিন ও তার সাথী বর্গ সহ মাদ্রাসা গুলোর ছাত্র-শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

তবে এ অনুষ্ঠানে ছারছীনা পীর সাহেবের অনুমোদন ও উপস্থিতি না ঘটায় সর্ব মহলে তুমুল সমালোচনার ঝড় উঠে।

এখানে উল্লেখ্য যে, ভন্ড পীর নেছার উদ্দিন ও তার পুত্র মাসুদের সাম্প্রতিক প্রেম ঘটিত নানা কু-সংবাদে কুমিল্লা জেলা সহ সারা দেশে তীব্র সমালোচনার উর্মি বয়ে যায়। যার প্রভাবে ছারছীনার হুজুর কেবলা ক্ষুদ্ধ হয়ে কুমিল্লা জেলার জমিয়তে হেযবুল্লাহর সকল কার্যক্রম স্থগিত করেন ২০১০ইং সালের আগস্টে।

এরপর ও পীর নেছার ও তার অপকর্মের সহযোগীদের অপতৎপরতা বন্ধ না হয়ে বরং আরো বৃদ্ধি পাওয়ায় ছারছীনা হুজুর কেবলা না খোস হন।

এদিকে হুজুর কেবলা কে রাজি করাতে তথা মৌকরা দরবারে আমন্ত্রন জানাতে পীর নেছার ও তার বাহীনির বিশাল কাফেলা ছারছীনা ও ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থানে গেলেও ছারছীনার পীর সাহেব তাদের কোন প্রশ্রয় দেন নি। এবং মৌকরা দরবারে বার্ষিক ইসহালে ছোয়াব মাহফিল ১, ২ মার্চ ২০১১ইং কে দাওয়াত কবুল করেন নি। এদিকে পীর নেছার ও তার সহযোগীরা তাদের দরবারের মুরিদানদের দৃষ্টি অন্যদিকে ফিরাতে নানা চলচাকরির প্রশ্রয় নেই। জানুয়ারী থেকে তারা প্রচার করতে থাকে ছারছীনার পীর সাহেব অসুস্থ্য, স্টোক আক্রান্ত, তিনি চিকিৎসাধীন সিঙ্গাপুরে অবস্থান করেছেন ইত্যাদি।

তবে তাদের টাল বাহানা ও প্রতারনার কথা বার্তা জনগণ আগেই বুঝতে পেরেছিল।

পরিশেষে ২ মার্চ ছারছীনা পীর সাহেব ও সন্তোষ ফুরের পীর সাহেব কে বাদ দিয়ে মৌকরা মরহুম পীরের ইন্তেকালের বার্ষিকী পালিত হয়। যাতে ছারছীনা পীর সাহেবের উপস্থিতিতে যেমন সমাগম হওয়ার কথা ছিল তার এক দশমাংশ ও হয়নি। মুলত ভন্ড ুপীর নেছার উদ্দিন “একলা পথে চল নীতিতে” । উক্ত দু’পীর সাহেব কে মাইনেস করে ঐদিন মৌকরা দরবারে স্বয়ম্ভর পীরের পরিচয় দিয়ে মাহফিলের কার্যক্রম চালান। তবে রহস্যময় ব্যাপার হচ্ছে ইতিপূর্বেকার নিবেদিত প্রাণ মুরিদান মাহফিলে শরীক হন। আর সিংহভাগ মুরিদান ছারছীনা হুজুর তাশরিফ না আনার কারণে ১,২ মার্চ মৌকরা মাহফিলে আসেন নি।

সম্প্রতি ২ মার্চ ইছালে ছোয়াব মাহফিল কে কেন্দ্র করে বৃহত্তর নোয়াখালী-কুমিল্লা, ঢাকা-চট্টগ্রামে চলছে সমালোচনার ঝড়। এদিকে দরবার কর্তৃপক্ষ মানুষদের কে বুযাচ্ছে যে ছারছীনা মাহফিলের পরে মৌকরা মাহফিলের তারিখ দিবেন। তাদের একথা গুটি কয়েক লোকে বিশ্বাস করলেও শতকরা ৯০ ভাগ লোক এদের কথা আস্থায় রাখতে পারছেনা। মৌকরা দরবারের পীর ও তার সাথীদের নানা অপকর্মে ও দুর্নীতির কারণে মৌকরা দরবারের ভবিষৎ নিয়ে যত্রতত্র প্রশ্ন উঠেছে।

Check Also

কুমিল্লায় তিন গৃহহীন নতুন ঘর পেল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ– কুমিল্লা সদর উপজেলায় গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নের গৃহহীন নুরজাহান বেগম, ...

Leave a Reply