“জোর যার মুল্লুক তার” কায়দায় দখল করা সম্পত্তি উদ্ধারে নিরীহ আক্কাছ মিয়ার আর্তি

জামাল উদ্দিন স্বপন :
প্রত্যন্ত অঞ্চলের কোন গ্রামে নয়, লাকসাম উপজেলার পৌর শহরের থানা হতে মাত্র ১ মাইল দূরে অবিস্থত উত্তর বিনই গ্রামের মো: আলী আক্কাছ নামের এক ব্যক্তির সম্পত্তি বেহাত হওয়ার এক অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিন চার বছর আগে বিদেশ থেকে এসে ভাই ও ভাতিজারা তার পৈত্রিক সম্পত্তি ও ভাইদের নিকট পাঠানো টাকায় ক্রয় কৃত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্যে গ্রামের মাতবর পৌর সভার সাবেক কমিশনারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিচার পায়নি। গ্রাম্য সালিস দার ও সাবেক কমিশনার বিচার সালিস; সালিস বিচার নামে নাটকের দীর্ঘ সূত্রিতা করে আক্কাছ মিয়ার সম্পত্তি ভোগ দখল সহ তার সম্পত্তির গাছ কেটে সাইট ওয়াল তুলে এবং মালিকানা ভূমিতে অবৈধ ভাবে ঘর তোলে আক্কাস মিয়া বর্তমানে পৈত্রিক ও ক্রয় কৃত সম্পত্তি হতে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

জানা গেছে গ্রাম্য মাতবর ও সাবেক কমিশনারের কাছে সালিস ও বন্টন নামায় ৫ হাজার করে ৪ শরিক ২০ হাজার টাকা জমা দিয়েও কোন অদ্যাবধী এর সুরাহা হয়নি। উপরোন্তু ভাইদের মধ্যে সম্পত্তি ও গাছ গাছরাতিক্ততা বিরোধ লেগেই আছে। সর্বশেষ ৪-২-২০১১ সকাল ৯টায় আক্কাছ আলীর ক্রয় কৃত সম্পত্তির উপর অবস্থিত ৪টি ফলবান নারকেল গাছ ১৫ বছর বয়সী ( যার মূল্য ২০/২১ হাজার টাকা), ১৬ হাজার টাকা দামের ১টি কড়ই গাছ ৩টি কদম গাছ ও ৬ শত টাকা দামের ১টি বটগাছ তার প্রতিপক্ষ জোর পূর্বক সন্ত্রাসী কায়দায় কেটে নিয়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আলী আক্কাছ ৭/২/১১ইং লাকসাম থানায় সু-বিচারের প্রার্থনায় ১টি জি ডি করেন (জি ডি নং-২৩৮ তাং ৭-২-১১ইং) এতে বিবাদী করা হয় এছহাক মিয়া-পিতা মৃত আকবর আলী, নুরে আলম- পিতা এছহাক মিয়া, আবু তাহের –পিতা আকবর আলী। সর্বসাং বিনই লাকসাম পৌরসভা।

জি ডিতে উল্লেখ করা হয় লাকসাম থানাধীন ১৮৪ নং বিনই মৌজার সাবেক ৬০ নং দাগে ৭৪ নং খতিয়ান ভুক্ত ৩৩ ও ৩১ দাগে বাদীুর নিজ মালিকানায় ও ভোগ দখল কৃত ১০শতক বসত বাড়ীর জায়গা যা বাদীর ক্রয়কৃত ও পৈতৃক ওয়ারীশ সম্পত্তি বিবাদী গন “জোর যার মুল্লুক তার” কায়দায় দখল করে আছে। গত ১৪.২.১১ ইং প্রতিবেদক বিষয়টি অবগত হয়ে ফলবান নারকেল গাছ ও কদম গাছ এবং অবৈধ ভাবে স্থাপন কৃত ঘরের একটি ছবি ধারণ করে নিয়ে আসেন।

এসময় কতিপয় লোক ছবি সংগ্রহে বাধা প্রদান করে।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কারী লাকসাম থানার এ এস আই গিয়াস উদ্দিন অফিসার বলেন এদের ভাইদের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বিরোধ। আগামী শুক্রবার সালিস কারীরা এ বিরোধ নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছেন, যদি সমাধান না হয় তখন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তদন্ত কারী অফিসারকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো আক্কাছ আলীর দখলীয় গাছ কেটে নেওয়ার বিষয়ে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন গাছ কাটার কোন আলামতই আমি দেখতে পাইনি। অথচ ৭দিন পরও এ প্রতিবেদক অভিযোগ কারীর বাড়ীর সামনে নারকেল, কদম গাছ ও কড়ই গাছের খন্ড গুলো দেখতে পেয়ে ছবি নিয়ে আসেন।

সর্বশেষ ১৮ তারিখ শুক্রবার থানায় বিচারে সালিস ডেকেও অজ্ঞাত কারণে সালিস না হওয়ায় আক্কাছ আলী বর্তমানে উদভ্রান্ত।




Check Also

কুমিল্লায় তিন গৃহহীন নতুন ঘর পেল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ– কুমিল্লা সদর উপজেলায় গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নের গৃহহীন নুরজাহান বেগম, ...

Leave a Reply