মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন: দেবিদ্বার সৈয়দপুর আলিয়া মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা আতাউর রহমানের স্ত্রী নির্যাতনের অন্তরালে স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ শিক্ষা অধিদফতরের দৃষ্টি আকর্ষন

জামাল উদ্দিন স্বপন:
* দারোগা আবুজাহেরের পক্ষপাত * উৎকোচ না দেয়ায় বিবাদী পক্ষের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে চার্যসিট প্রদান * মোবাইল ফোনে বিবাদী পক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন * বিবাদী স্ত্রীর আদালত থেকে জামিন লাভ * নির্যাতিত স্ত্রী কর্তৃক রাষ্ট্রীয় উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা অধিদফতরসহ পুলিশ প্রশাসনের নিকট পিটিশন প্রেরণ * ন্যায় বিচার প্রত্যাশা।

কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলাস্থ সৈয়দপুর আলীয়া মাদরাসার লাইব্রেরীয়ান (কথিত শিক্ষক) কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মনপাড়া উপজেলার কান্দুঘর গ্রামের অধিবাসী মোঃ হাবিবুর রহমানের পুত্র বর্তমানে দেবিদ্বার উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা আতাউর রহমানের স্ত্রী নির্যাতনের অন্তরালে অনেক আপত্তিকর ঘটনাবলি বেড়িয়ে আসছে। যা অত্যান্ত আপত্তিকর এবং যা সচেতন মহল কামনা করতে পারেনা। কারণ ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে মাওলানা আতাউর রহমান যা ঘটিয়েছে তা দেশের সংবাদ পাঠকসহ প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো। উক্ত মাওলানা আতাউর রহমান ব্রাহ্মনপাড়া উপজলোর কান্দুঘর গ্রামে জন্মগ্রহণ করার পর শৈশব কাটিয়ে যখন কিশোর অবস্থায় পদার্পন করেন তখন থেকেই বে-পরোয়া হয়ে উঠে। এর পর থেকেই সে অনেকটাই মা-বাবার অবাধ্য সন্তান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এক পর্যায়ে তার বাবা বর্তমানে খুবই অসুস্থ মোঃ হাবিবুর রহমান অবাধ্য পুত্র মাওলানা আতাউর রহমান সৈয়দপুর আলিয়া মাদরাসার শিক্ষককে অভিশাপ দিয়ে বাড়ী থেকে বিতারিত করে। এক পর্যায়ে মাদরাসায় লাইব্রেরীয়ান হিসেবে চাকুরী নিয়ে কর্মজীবন শুরু করে। এর সুবাদে সৈয়দপুরে এক খন্ড জমি ক্রয় করে ঘর-বাড়ী তৈরী করে প্রথমে মুরাদনগর উপজেলা বাঙ্গুরা চৌধুরী বাড়ী মরিয়ম নামে এক মেয়েকে বিবাহ করে সংসার জীবন শুরু করে। তথ্য সংগ্রহ কালে এমনও জানা যায় মাওলানা আতাউর তার প্রথম শ্বাশুরীকে চকির পায়ার সাথে বেঁধেও মার ধর করেছে। সেই প্রথম স্ত্রীর উপর উক্ত মাওলনা আতাউর রহমান শারীরিকসহ মানসিক নির্যাতন করে প্রায় দেড় যুগধরে। এক পর্যায়ে প্রথম স্ত্রী মরিয়ম নামের মেয়েটি বাবার বাড়ী বেড়াতে গিয়ে আর আসবে না বলে জানালে মাওলানা আতাউর রহমান প্রথম স্ত্রী মরিয়মের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে মাওঃ আতাউর আনতে বাধ্য করে। এরপর ক্ষীপ্ত হয়ে মরিয়ন নামের প্রথম স্ত্রীকে অবর্ননীয় নির্যাতন করে মেরে ফেলে বলে এলাকার জনশ্র“তি রয়েছে। প্রথম স্ত্রীর বাবা-মা বা কোন সচেতন অভিভাবক না থাকায় উক্ত মাওলানা আতাউর রক্ষা পায়। এঘটনার কথা শুনে মাওলানা আতাউরের বাবা হাবিবুর রহমান পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের নিকট বলেন, এরকম কলঙ্কিত পুত্র হিসেবে মাওলানা আতাউর রহমান যেন আমি বাবা হাবিবুর রহমানের নামাজে জানাযায় অংশ না নেয়। আল্লাহ আতাউরকে ধ্বংস করুক। সেই মাওলানা আতাউর সুযোগ বুঝে মুরাদনগর উপজেলার দিলালপুর গ্রামের হানিফ সরকারের কনেকে ২৬ মার্চ ২০০২ ইং তারিখে বিয়ে কর। বিয়ের কিছুদিন যাবার পর শুরু হয় যৌতুক আনার নামে সহ নানান অজুহাত শারিরিক নির্যাতন। দিন যত যাচ্ছে ততই নির্যাতনের মাত্রা বেগবান হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে মামলাবাজ ও স্ত্রী নির্যাতন কারী লেবাসধারী আলিয়া মাদ্রাসার কথিত শিক্ষক মাওলানা আতাউর ভবিষ্যত দূর্ঘটনা ঘটিয় যাতে পারপেয়ে যায় সে লক্ষ্যে দেবিদ্বার থানায় ২য় স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা জিডি করে যার নং- ১১৭, তারিখ ০৪/০৮/২০০৮ইং। কিন্তু উক্ত জিডির কোন তদন্ত না হওয়ায় ২য় স্ত্রী বা তার আত্মীয়রা কোন ব্যবস্থা নিতে পারে নাই। এর পরক্ষনে মিথ্যাবাদী বাবা-মার কর্তৃক অভিশপ্ত পুত্র লেবাসধারী আতাউর ২ নভেম্বর ২০১০ইং তারিখে অগণিত মিথ্যা বর্ণনা দিয়ে ৭ নভেম্বর ২০১০ইং তারিখ কুমিল্লার সিনিয়র ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালত নং- ৩ এ ২য় স্ত্রীকে ১নং বিবাদী করে ৩ ভাই ও ১ ভগ্নিপতি কে বিবাদী করে একটি পিটিশন দাখিল করলে বিজ্ঞ আদালত দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশি রিপোর্ট প্রদানের জন্য নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে ১৪ নভেম্বর ২০১০ইং তারিখ এফ আই আর হিসেবে গ্রহণ করেন যার মামলা নং- ৮, এতে ২য় স্ত্রী আদালতে হাজির হয়ে জামিন লাভ করেন। এরপর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই আবু জাহেরকে তদন্ত কর্তকর্তা হিসেবে দায়ীত্ব প্রদান করলে এসআই আবুজাহের বিবাদী পক্ষের জবানবন্দীসহ স্বাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণ করেন এবং বাদী মাওলানা আতাউর রহমানের ঘাড়ে এলোপাতারী কোবের দাগ না পাওয়ায় বাদী আতাউরকে শাশিয়েও বিবাদী পক্ষের নিকট মোটা অংকের উৎকোচ দাবী করেন। থানার সোর্স মারফত জানা যায় কিছু টাকা বিবাদী পক্ষ দিয়েছে এর পরও আরো ৩০ হাজার টাকা বিবাদীর এক ভাইয়ের মোবাইল নম্বরে এসআইআবু জাহের একাধিকবার চেয়েছে। কারণ কি? সত্য ঘটনা হিসেবে যা পেয়েছে তা এসআই জাহেরকে লিখে দিবেন বলে অনুরোধ করলে এসআই জাহের বলেন, ওসি এবং এসপিকে মোটা অঙ্কের টাকা না দিলে ঘটনা যাই ঘটুক তার উল্টো ঘটে যাবে। বিবাদী পক্ষকে এমনও বলেন আপনারা টাকা না দিলে আতাউর টাকা দিলে আমরা আতাউরকেই সঠিক বলে রিপোর্ট দিয়েদেব। তখন স্বাক্ষী দিয়ে আদালত থেকে রেহায় পেতেও পারেন আবার নাও পারেন। শেষ পর্যন্ত মোটা অঙ্কের উৎকোচের টাকা না দেয়ার কারণে আবু জাহের তার কথা মতোই মিথ্যাকে সত্য বলে চালিয়ে দিলেন। থানার একাধিক সোর্স বলেন জাহের স্যারের নিকট যাদের মামলায় পড়ে তারা জাহের স্যারে চাহিদা মত টাকা না দিতে পারলে তাদের অবস্থা একেবারেই সুচনীয়। জাহের স্যার মানুষ নয় যেমন দানবের বাচ্চা। সোর্সদের কথা মত তার প্রমান ঠিক পাওয়া গেলে যেমন ৩১ অক্টোবর লেবার্সধারী আতাউর তার ২য় স্ত্রীকে তালাক দিলেন ২ নভেম্বর শারিরিক ভাবে নির্যাতন করে এলাকাবাসীর সামনে গুরুতর ভাবে আহত করলেন, যার জ্ঞান ফিরতেও ডাক্তারের চিকিৎসাধীন থেকেও ১ দিন সময় লাগলো। যেই মহিলা মানুষটি ৬ নভেম্বর পর্যন্ত চিকিৎসাধীন রইলো সেই স্ত্রী কি করে এরূপ পাশন্ড স্বামীকে ধাড়ালো দা দিয়ে লেবাসধারী আতাউরকে কুবালো? এটা রহস্য জনক নয় কি? এখানে প্রশ্ন জাগে ৩১ অক্টোবর তারিখে তালাক দিলে ২ নভেম্বর একটি মেয়ে মানুষ কি করে এরূপ পাষন্ড স্বামী লেবাসধারী মাওলানা আতাউরের উপর আক্রমন করে? শুধু তাই নয় আদালতের পিটিশনে বিবাদী করেছিল, বাদী মিথ্যাবাদী ও লেবাসধারী মা-বাবার অভিশপ্ত, কথিত মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা আতাউর তার ২য় স্ত্রী সহ স্ত্রীর ভাই ভগ্নিপতিসহ মোট ৫ জনকে যাদের একজন সরকারী কর্মকর্তা, ২ জন শিক্ষক ১ জন ছাত্র। তাদের কর্মস্থলে থেকেও তারা মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে গিয়েছিল প্রায়। কিন্তু থানায় এজাহারে বিবাদী করা হলো শুধুমাত্র ২য় স্ত্রী কে। এরবা কারণ কী? এটা মিথ্যা বাদীর নির্দশন নয়কি? তদন্তকারী কর্মকর্তা এটা তার নয়ন দ্বারা দেখেনি? কিসের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা এমন অন্ধচোখের লোকের ন্যায় আচরন করলেন? এটা ক্ষমতার অপব্যবহার নয়কি? এটা দুর্নীতির শামিল হবেকি? এবিষয়ে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন কি? ভূক্ত ভোগীরা এমনটাই আশা করেন। সৈয়দপুর মাদরাসার কথিত শিক্ষক মাওলানা আতাউর রহমানের সৈয়দপুরের বাড়ীর নিকট জনদের সাথে কথা বলে জানা যায় এই মাওলানা মূলত সৈয়দপুর মাদরাসার লাইব্রেরীয়ান কিন্তু সে পরিচয় দেয় শিক্ষক এখানেইতো সে মিথ্যা বলছে এবং মানুষকে ধোকা দিচ্ছে। তারা আরো বলেন উক্ত মাওলানা আতাউর মাদরাসা পরিচালনা কমিটির একাধিক দাপটশীল নেতাকে ম্যানেজ করে চাকুরীটি কোনমতে টিকিয়ে রাখছে। মাওলানা আতাউর আসলেই চরিত্রহীন এবং হিংস্র এর নিকট থেকে শিক্ষার্থীরা কোন ভাল আচরন পাইনি। উক্ত মাওলানা আতাউর তার মা ও বাবার অভিশপ্ত হয়ে ব্রাহ্মণপাড়া এলাকা থেকে বিতারিত হয়ে আমাদের সৈয়দপুরে আস্তানা করে আমাদের এলাকাকে কলঙ্কিত করছে, এর বিরুদ্ধে আপনারা লিখুন এর প্রকৃত শাস্তি হউক এই এলাকা থেকে বিতারিত হউক আমাদের এলাকা কলঙ্ক মুক্ত হউক। এরপর সৈয়দপুর মাদরাসার একাধিক শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নিকট কথা বলে জানাযায় উক্ত চরিত্রহীন মাওলানা আতাউর পদমর্যাদায় লাইব্রেরীয়ান। যেই দিন কোন শিক্ষক না আসেন তার পরিবর্তে সে ক্লাশ করেন। তার নিকট আমরা ক্লাশ করতে চাইনি তবু কেন ক্লাশ করান তা আমরা বলতে পারি না। অপরদিকে আমাদের প্রিন্সিপাল হুজুর ও এই লেবাসধারী মাওলানা আতাউরকে পছন্দ করেন না। কিন্তু আতাউরের কাজ দেখে মনে হয় আতাউর কোন না কোন যাদু জানে, যাদু দ্বারা প্রিন্সিপালকে বস করে চলেছে নতুবা এমন কেন হবে? শিক্ষার্থীরা বলেন খুব শীঘ্রই এবিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রীসহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ দেয়া হবে। এ বিষয়ে লেবাসধারী মাওলানা আতাউরের ২য় স্ত্রী ও পক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন থানার দারোগা জাহের টাকা ছাড়া কিছু বুজেনা অনেকের থেকে জানা গেছে টাকা নিয়েও দারোগা জাহের বিপরিত কাজ করে। তাদের নিকট আইনী সহায়তা না পেয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে পিটিশন দেওয়া হয়েছে এটাও আতাউর টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে ফেলবে বলে শুনা যায়। কারণ টাকা দিয়ে আইন কেনার পক্ষে আমরা নই। আল্লাহ অন্যায়ের বিচার করবেন। আতাউরের ২য় স্ত্রী পক্ষে জানাযায় এ বিষয়ে গত ২৮শে ডিসেম্বর ২০১০ইং তারিখে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় প্রধান বিচারপতি, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রী পরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, শিক্ষা সচিব, মুখ্য সচিব, প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়, যুগ্ম স্বরাষ্ট্র সচিব (প্রশাসন), যুগ্ম শিক্ষা সচিব (প্রশাসন), যুগ্ম মহিলা ও শিশু কল্যাণ সচিব (প্রশাসন), এটর্নী জেনারেল, মহা পরিচালক, শিক্ষা অধিদফতর, পরিচালক (প্রশাসন), শিক্ষা অধিদফতর, আই.জি.পি, বাংলাদেশ পুলিশ, অতিরিক্ত আই.জি.পি. (ক্রাইম), অতিরিক্ত আই.জি.পি. (সিআইডি), অতিরিক্ত আই.জি.পি. (এসবি), মহা পরিচালক (র‌্যাব), বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম, ডিআইজি (চট্টগ্রাম রেঞ্জ), চট্টগ্রাম, চেয়ারম্যান মহোদয়, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা, জেলা পুলিশ সুপার, কুমিল্লা, জেলা জজ মহোদয়, কুমিল্লা, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, কুমিল্লা জেলা, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, আমলী- ৩নং আদালত, কুমিল্লা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কুমিল্লা, সংসদ সদস্য, বুড়িচং-ব্রাহ্মনপাড়া আসন, সংসদ সদস্য, দেবিদ্বার আসন, মহা পরিচালক, মহিলা অধিদফতর, জেলা শিক্ষা অফিসার, কুমিল্ল, জেলা মহিলা ও শিশু কল্যাণ কর্মকর্তা, কুমিল্লা, উপজেলা চেয়ারম্যান, দেবিদ্বার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, দেবিদ্বার, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, দেবিদ্বার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, দেবিদ্বার, সহকারী পুলিশ সুপার, সার্কেল মুরাদনগর, সভাপতি, জামিআতুল মুদাররেসীন বাংলাদেশ, সাধারণ সম্পাদক, জামিআতুল মুদাররেসীন বাংলাদেশ, সভাপতি, জেলা আইনজীবি সমিতি, কুমিল্লা, সাধারণ সম্পাদক, জেলা আইনজীবি সমিতি, কুমিল্লা, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, দেবিদ্বার থানা, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মুরাদনগর থানা, এড. এলিনা খান, পরিচালক তদন্ত, মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিকট ডাকযোগে দরখাস্ত ফেরন করা হয়েছে। এব্যাপারে নির্যাতীত ২য় স্ত্রীর পক্ষের লোকেরা বলেন এই লেবাসধারী মাওলানা আতাউর রহমানের যাবতীয় অপকর্মের ন্যায় বিচার হউক এবং প্রকৃত দূষী ব্যক্তির শাস্তি হউক এটাই আমরা কামনা করি।

Check Also

নিউইয়র্কের চিকিৎসক ফেরদৌস খন্দকারে দেওয়া খাদ্য পাচ্ছে দেবিদ্বারের ১ হাজার পরিবার

দেবিদ্বার প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে লকডাউনের কারনে কর্ম হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে দেশের হাজার হাজার ...

Leave a Reply