কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে কাবিলার শাহী জামে মসজিদ

মো. শরীফুল ইসলাম, দাউদকান্দি:

কাবিলা নাম শুনলেই কেউ হেসে উঠে, কেউবা আবার ভয় পেয়ে উঠে আমরা সকলেই জানি কাবিলা এক ব্যাক্তির নাম যিনি বাংলা সিনেমায় বিলেনের অভিনয় করেন। তাকে চিনেনা বাংলাদেশে খুব কম সংক্ষক লোক রয়েছে তবে শিশু কিশোররা তাকে বেশি চিনে তার কথার কারনে তবে এই কাবিলা সেই কাবিলা নয়। ঢাকা- চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার একটি গ্রামের নাম ’কাবিলা” । তবে গ্রামের নাম কাবিলা নয় কাবিলা একজন ব্যাক্তির নাম তিনি হলেন কাবিল মজুমদার। তৎকালিন সময়ের একজন অন্যতম জমিদার ছিলেন কাবিল মজুমদার, আর তার নামানুসারেই ঐ এলাকাটির নাম রাখা হয় কাবিলা । তিঁনি তার জীবন কর্মে রেখে গেছেন অমরত্ত কৃর্তি । ধর্মিয় উপসনালয় হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন মশজিদ, পানির প্রয়োজনে কেটেছিলেন দিঘী, গড়ে তুলেছিলেন হাটবাজার , মানুষের মূত্যুর পর দাফনের জণ্য তৈরী করেছেন কবরস্থান। কিন্তু আজ সবই আছে নেই জমিদার কাবিল মজুমদার ।
২শত ২৫ বছর অতিক্রম করে আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে কাবিলার শাহী জামে মসজিদ । ঢাকা – চট্রগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কাবিলা বাসষ্টেন্ড থেকে ১ শত গজ উওর পাশ্বে অবস্থিত ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক নিপুন কারু কাজে নির্মিত কালের সাক্ষী কাবিলার শাহী জামে মাসজিদ । এ মসজিদটি ১৭-৮৫ সালে সর্বপ্রথম নির্মিত হয়। এক গম্ভজ বিশিষ্ট এ মসজিদটি সু উচ্চ চার কোনায় চারটি মিনার। এ মজজিদটি দেখতে প্রাচীন স্থাপত্য কৃতির মত মনে হয়। স্থানিয়দের সাথে কথাবলে জানাযায়, কাবিল মজুমদার ও হাবিল মজুমদার নামে দু’ ভাই ছিল । তারাছিলেন খুবই সৎ, নিষ্ঠাবান, ধর্মভিরু তারা তাদের বিশাল সম্পওি তৎকালিন সময়ে মসজিদ , মাদ্রাসা , স্কুল , বাজার , কবরস্থান সহ নানান প্রতিষ্ঠানে দান করে যান । তার অন্যতম কাবিলার শাহী জামে মাসজিদ। এ মাসজিদটির পাশে রয়েছে সু বিশাল একটি দিঘী ,রয়েছে কাবিলার শাহী কবরস্থ্ান।
ঐ এলাকার বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী মনজুর আহাম্মেদ বলেন, কাবিল মজুমদার নাম থেকেই কাবিলা হয়েছে তিনি একজন জমিদার ছিলেন, তিঁনি এখানে মাসজিদ, কবরস্থান সহ বিভিন্ন জায়গায় মানুষের কল্যানে অনেক সম্পন্তি দান করে গেছেন।
কাবিলা শাহী জামে মাসজিদের ইমাম মাও: আবু ছায়েদ জানান , এ মাসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করতে প্রতিদিন প্রায় ৫ শত লোক অংশগ্রহন করেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামায়াতের সহিত আদায় করা হয়। কাবিল মজুমদারের বংশদরের একজন রুহুল কুদ্দুছ জানান, আমি কাবিল মজুমদারের বার তম বংশদর আমি শুনেছি কাবিল মজুমদার একজন ভালো লোক ছিলেন তিনি অনেক সম্পন্তি মানুষেরকল্যানে দান করে গেছেন। তিনি কোথায় মারা গেছেন এবং কোথায় তার কবর কেউ তা জানেনা।
কাবিল মজুমদার তার জমিদারির বিশাল অংশই মানবের কল্যানে দান করে গেছেন, তিনি কবে কখন কোথায় কিভাবে মারা গেছেন তা কেউই বলতে পারেনাই। কাবিল মজুমদার নেই, নেই তার জমিদারি রয়েগেছে লাখ মানুষের কল্যানে নির্মিত তার অমূল্য কৃর্তি কাবিলার শাহী জামে মাসজিদ, বাজার , কবরস্থান। ]

Check Also

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে জুয়া খেলার মহোৎসব॥ ৪ জোয়ারি আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি :– সম্প্রতি সময়ে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে জুয়া খেলার মহোৎসব চলছে। বৃহস্প্রতিবার সকালে ৪ জুয়ারিকে ...

Leave a Reply