তিতাসে বিদ্যালয়ের জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণ প্রশাসনের আশ্বাসের পরও ভাঙ্গা হয়নি অবৈধ স্থাপনা


তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি,০৮ আগস্ট ২০১০ (কুমিল্লাওয়েব ডটকম):
কুমিল্লার তিতাস উপজেলার পুরান বাতাকান্দি রেজিঃ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্পত্তিতে দোকান নির্মাণ করে জায়গা দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন সরেজমিনে পরিদর্শনের পর স্থানীয় লোকজনকে মার্কেটের দোকান ঘর ভেঙ্গে ফেলার আশ্বাস দিলেও ভাঙ্গা হয়নি বলে জনমনে বির্তকের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার পুরান বাতাকান্দি মৌজার বি.এস দাগ নং-৪৫, খতিয়ান নং- ২ এর ১২ শতাংশ রেকর্ডভ্ক্তূ জমি পুরান বাতাকান্দি রেজিঃ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নামে রেজিষ্ট্রিকৃত আছে। উক্ত সম্পত্তিটি রাস্তার সাথে হওয়ায় একটি বিশেষ মহল প্রশাসনকে না জানিয়ে স্থায়ী ইমারত নির্মাণ করেন। ইমরাত নির্মাণ সম্পর্কে উপজেলা প্রশাসনকে জানালে তাৎক্ষণিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুন্সি মুজিবুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ পরিদর্শনে যান এবং উপস্থিত সকলের সাথে কথা বলে শীঘ্রই তা ভেঙ্গে ফেলা হবে বলে জানান। কিন্তু প্রায় এক মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও কেন বিল্ডিংটি ভাঙ্গা হলো না তা এখন জনমুখে প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকার বিভিন্ন জনের সাথে আলাপ করে জানা যায়, অনেক আগে থেকে উক্ত জায়গাটি বিদ্যালয়ের নামে দেওয়া হয়েছে। এখন পাকা রাস্তা এবং জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় তা দখলের জন্য বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মজিবুর রহমান সরকার ও স্থানীয় মজিবুর রহমান ভূঁইয়া ওরফে তারু মেম্বার পায়তারা করছে।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মজিবুর রহমান সরকারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, দোকানঘর নির্মাণের জায়গাটি বিদ্যালয়ের এবং বিদ্যালয় থেকে একটু দূরে সেহেতু জায়গাটি পরিবর্তন সাক্ষেপে বিদ্যালয় সংলগ্ন জায়গা পাওয়া গেলে তা বিদ্যালয়ের স্বার্থে করা হবে। দোকান নির্মাণদার তারু মেম্বার জানান, উক্ত জায়গাটি বিদ্যালয়ের নামে আমি দান করি। বর্তমানে জায়গাটি খালি থাকায় আমি দোকান ঘর তুলার জন্য অগ্রসর হলে প্রশাসন তা বাধা দেয় এবং আমি কাজ বন্ধ রাখি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম এ ব্যাপারে উক্ত প্রতিবেদককে জানান, তাৎক্ষণিকভাবে সরেজমিনে গিয়ে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্ত প্রক্রিয়াধীন। বিশেষ করে জায়গা নির্ধারণের কাজ চলছে। আগে জায়গাটি নির্ধারণ হউক তারপর কি করা যায় তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন সরকার বলেন, ঘটনাটি আমি জেনেছি। এর বেশি কিছু বলতে তিনি অনিহা প্রকাশ করেন।

Check Also

কুমিল্লায় তিন গৃহহীন নতুন ঘর পেল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ– কুমিল্লা সদর উপজেলায় গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নের গৃহহীন নুরজাহান বেগম, ...

Leave a Reply