হাজার মানুষের প্রশ্ন কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ চত্বরের গরুটি কার

কাঙ্গালী ভোজের লক্ষে ২০০৯ সালে উপজেলা চেয়ারম্যানের দেওয়া গরুটি।
জান্নাতুল ফেরদৌসী,দেবিদ্বার প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ঘুরে ফিরে বড় হচ্ছে টকটকে লাল গরুটি। ওই গরুটি কার, কেনইবা উপজেলা পরিষদ পাঙ্গণে তা এখন দেবিদ্বারে হাজারো মানুষের প্রশ্ন। আগষ্ট মাস বাঙ্গালী জাতির শোকের মাস। ঘাতকরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে হত্যা করে। দিনটি বাঙ্গালীরা জাতীয় শোক দিবস হিসাবে পালন করে আসছে।
জানা যায়, গত ১৫ আগষ্ট ২০০৯ দিবসটি উদযাপনের লক্ষে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে ছিলেন। তারই ধারা বাহিকতায় কাঙ্গালী ভোজের জন্য ১৬ টি গরু ক্রয় করে ১টি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি/সেক্রেটারীদের মাঝে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিতরণ করেন। ওই রাতেই সংসদ সদস্য এবিএম গোলাম মোস্তফার নির্দেশের কারনে ৪টি ইউনিয়নের ৪টি গরু জবাই না করে ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছিল নেতাকর্মীরা। কাঙ্গলী ভোজের জন্য বিতরন করা গরু জবাই না হয়ে ১৫ আগষ্ঠ ফেরত আসায় নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং দেবিদ্বারসহ আসে-পাসের উপজেলায় হইচই পড়ে গিয়েছিল। ফেরত আশা গরু নিয়ে বিপাকে পড়েছিল উপজেলা চেয়ারম্যান, কি করবেন ৪টি গরু। পরবর্তীতে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত আইভি রহমানের স্মরণে ৩টি গরু জবাই করে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বাকী ১টি গরু উপজেলা পরিষদ পাঙ্গনে ঘুরে ফিরে অনেক বড় হয়েছে আজ। উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে আশা মানুষের মনে ইতিমধ্যে প্রশ্ন জেগেছে ফুটফুটে মোটাতাজা লাল রং এর গরুটিকে নিয়ে। প্রশ্ন গরুটি কার, কেনইবা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে। উত্তর জানার পর আবারও জনমনে প্রশ্ন জাগে এবারের কাঙ্গালী ভোজে গরুটি কি জবাই হবে। তবে এখন দেখার বিষয় আগামী ১৫ আগষ্ঠ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের শরনে আয়োজিত কাঙ্গালী ভোজে গরুটি কি জবাই হচ্ছে।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...