চান্দিনা আল-আমিন কামিল মাদ্রাসায় এক ছাত্রকে বেধরক মারধর

মাসুমুর রহমান মাসুদ, স্টাফ রিপোর্টার :
চান্দিনা আল্-আমিন কামিল মাদ্রাসায় মো. কাউছার আলম নামক এক ছাত্রকে বেধরক মারধর করেছে শিক্ষক কামরুজ্জামান, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা দাবিদার মো. মনিরুজ্জামান ও তার ভাই জাকির হোসেন। অধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং দুই প্রতিষ্ঠাতা দাবিদারের কোন্দলে ওই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই মাদ্রাসার আলিম শ্রেণীর ছাত্র কাউছার আহমেদ। গত শনিবার (১৯) মাদ্রাসার একটি কক্ষে বন্দি করে তাকে মারধর করা হয়।
মো. কাউছার আলম জানিয়েছে, এ বছর বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষায় ওই মাদ্রাসা থেকে সে নিয়মিত ছাত্র হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে। বন্ধুদের সাথে দেখা করাসহ বিভিন্ন কাজে সে প্রায়ই মাদ্রাসায় আসা যাওয়া করে। আলহাজ্ব মো. মোবারক হোসেন ও আলহাজ্ব মো. মনিরুজ্জামান নামক দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা দাবি করে আসছিল। এদিকে অধ্যক্ষ মুফ্তী আ.ন.ম মাঈন উদ্দিন সিরাজী বহাল থাকা অবস্থায় মাদ্রাসাটির উপাধ্যক্ষ মাওলানা মো. রুহুল আমিন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এনিয়ে ওই চার ব্যক্তির পাল্টাপাল্টি অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি গত শনিবার মাদ্রাসায় আসে। কিন্তু ছাত্র মো. কাউছার আলম বিষয়টি জানত না। অধ্যক্ষ মুফ্তী আ.ন.ম মাঈন উদ্দিন সিরাজী ছাত্র মো. কাউছার আলমকে কথা শুনতে বলেন। অধ্যক্ষের সাথে কথা বলার কারণে ওই তিন ব্যক্তি তাকে বহিরাগত বলে ধরে নিয়ে একটি কক্ষে বন্দি করে বেধরক মারধর করে।
উল্লেখ্য, এর আগেও গোলাম মাওলা নামক আরও এক ছাত্রকে মারধর করেছে ওই চক্রটি। অধ্যক্ষ মুফ্তী আ.ন.ম মাঈন উদ্দিন সিরাজী’র সাথে কথা বলার কারণে তাকেও একই ভাবে বহিরাগত বলে অভিযুক্ত করা হয়। এক পর্যায়ে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply