বিএনপি জয় করেছে চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নির্বাচন ২০১০
চট্টগ্রাম নির্বাচন ২০১০
কুমিল্লাওয়েব ডট কম:
উৎসব, শঙ্কা আর নতুন চমকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণে শেষ হয় চতুর্থ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন। বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে প্রথমবার দেখা যায়নি ব্যক্তি আক্রমণ আর কুরূচিপূর্ণ বাক-বিতণ্ডা। বৈরী আবহাওয়ার কারণে শঙ্কা থাকলেও ভোটের দিন কোনো ধরনের সমস্যা করেনি আবহাওয়া।

হঠাৎ সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ, ভোট ডাকাতির শঙ্কা থাকলেও প্রথমবারের মতো ‘ই-ভোটিং’ আর ‘দুই প্রর্থীর সহনশীলতা’ কার্যত দেশের প্রথম নারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জেসমিন টুলীর মতো দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য মধুর স্মৃতি হয়ে থাকবে।

খোদ নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এ নির্বাচনে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জয় পেয়েছে এম মঞ্জুরুল আলম। শক্তিশারী প্রতিপক্ষ তিনবারের মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ৯৫ হাজার ৫২৮ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি।

শুক্রবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে রিটার্নিং অফিসার জেসমিন টুলী আনুষ্ঠানিকভাবে মঞ্জুরুল আলমকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে মঞ্জুরুল আলম পেয়েছেন ৪ লাখ ৭৯ হাজার ১৪৫ ভোট। আর তার নিকটতম প্রার্থী এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৬১৬ ভোট। অর্থাৎ মঞ্জুরুল আলমের আনারস প্রতীক মহিউদ্দিনের জাহাজের চেয়ে ৯৫ হাজার ৫২৮ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছে।

এবার নির্বাচনে ৬৭৩টি কেন্দ্রের মধ্যে সবার দৃষ্টি ছিলো নগরীর ২১ নং ওয়ার্ডে। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ভোট দিয়ে ইতিহাসের সাক্ষী হলেন জামাল খানের ১৪টি কেন্দ্র নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ডের ২৫ হাজার ২৩০ জন ভোটার। ডিজিটাল পদ্ধতির কল্যাণে আধা ঘণ্টার মধ্যেই পাওয়া গেছে এ ওয়ার্ডের ফলাফল। কিন্তু বাকি ৬৭২টি কেন্দ্রের ফল প্রাপ্তির বিলম্বে তর সইছিলো না নগরবাসীর।

আর তাই রাত সাড়ে নয়টায় নগরীর এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়ামে স্থাপিত নির্বাচন কমিশনের অস্থায়ী কার্যালয়ের বাইরে ভিড় করে উভয় দলের সমর্থকেরা। ভোটের ফলাফল নিয়ে বিভিন্ন সূত্র থেকে তিন রকম তথ্য প্রচার হলে সৃষ্টি হয় উত্তেজনা। সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় বাক-বিতণ্ডা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সেনা বাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স, র‌্যাব, বিডিআর আর পুলিশের তৎপরাতায় গভীর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আসে।

অবশেষে ভোট গ্রহণের ১৮ ঘণ্টা পর ১৮ জুন সকাল সোয়া ১০টায় ঘোষণা করা হয় চতুর্থ নগরপিতার নাম। প্রার্থীদের এজেন্ট ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ফলাফল ঘোষণা করেন দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জেসমিন টুলী।

তার ঘোষণা থেকে জানা যায়, দীর্ঘ ১৭ বছর মেয়র পদে থাকা আওয়ামী লীগ সমর্থিত নাগরিক আন্দোলনের প্রার্থী এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে পরাজিত করে ৯৫ হাজার ৫২৮ ভোট বেশি পেয়ে প্রথমবারের মতো চট্টলাবাসীর নগরপিতা হয়েছেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সমর্থিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের প্রার্থী এম মঞ্জুরুল আলম।

অবশ্য মহিউদ্দিনের এক সময়ের ঘনিষ্ঠজন মঞ্জুর আলম ১৯৯৪ সাল থেকে তিনবার নগরীর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত কাউন্সিলর।

এ সময় জেসমিন টুলী জানান, সিসিসি নির্বাচনে বৈধ ভোট পড়েছে ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬৪টি। বাতিল ও অবৈধ ভোটের সংখ্যা ৩৫ হাজার ৫০৬টি। নির্বাচনে ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ ভোট পড়েছে।

‘চেঞ্জ ফর বেটার চিটাগাং’- স্লোগানে কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌঁছেছেন মঞ্জুর আলম। ৬০ বর্গমাইল আয়তনের দেশের বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামের অধিবাসী ৫০ লাখেরও বেশি।

তিনবারের কাউন্সিলর মঞ্জুর আলম এবারই প্রথম মেয়র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হলেন। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করা মঞ্জুরের রাজনৈতিক উত্থান ১৯৯৪ সালে। সেবার নগরীরর উত্তর কাট্টলীর কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি। এরপর স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে গত সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

১৯৫৩ সালের ২ জুলাই চট্টগ্রামের পুরনো মনসুরাবাদ এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন মঞ্জুরুল আলম। ব্যক্তিগত জীবনে তাহের গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পাঁচ সন্তানের জনক তিনি।

ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও সিটি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার আগে গত ১৭ মে অনেকটা নাটকীয়ভাবে বিএনপি সমর্থিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের সমর্থন পান তিনি। তাকে সহায়তায় এগিয়ে আসে চারদলীয় জোটের অন্য শরিকরা। জামায়াতে ইসলামি তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে কোমর বেধে নির্বাচনী মাঠে নামে মঞ্জুরকে জয়ী করতে।

চেঞ্জ ফর বেটার চিটাগাং স্লোগানে ৫৬ দফার ইশতেহার ঘোষণা করেন ৫৭ বছর বয়সী এম মঞ্জুর আলম। নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, যাতায়াত ও পরিচ্ছন্নতার বিভিন্ন নাগরিক সুবিধাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয় ইশতেহারে।

তার এই পরিবর্তনের ডাকে সাড়া দিয়ে ১৭ জুন বৃহস্পতিবার নতুন নগরপিতার আসনে তাকে বসালো চট্টগ্রামবাসী। নগরীর এই নতুন অভিভাবক নির্বাচনের সঙ্গে বিএনপি একটি অতৃপ্ত অধ্যায়ের অবসান হলো।

এর আগে ১৯৯৪ সালে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি সমর্থিত মীর নাছিরকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বন্দরনগরীর মেয়র নির্বাচিত হন মহিউদ্দিন চৌধুরী। এরপর ১৯৯৯ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দ্বিতীয় মেয়াদে নগরপিতার আসনে বসেন তিনি।

সর্বশেষ ২০০৫ সালের ৯ মে সিসিসি নির্বাচনে বিএনপি নেতা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন মহিউদ্দিন।

উল্লেখ্য, সিসিসি নির্বাচনে মহিউদ্দিন-মঞ্জুরুল আলম ছাড়াও শেষ পর্যন্ত মেয়র পদের প্রার্থী ছিলেন আরো ৫ জন। তারা হলেন- সৈয়দ সাজ্জাদ জোহা, মোহাম্মদ ইব্রাহীম, জানে আলম, মোফাজ্জল হোসেন ভূইয়া ও রফিকুল আলম।

এছাড়া মহাজোটের অন্যতম শরীক জাতীয় পার্টির (এরশাদ) মেয়র প্রার্থী সোলায়মান আলম শেঠ আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিনের পক্ষে সমর্থন ঘোষণা করলেও প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় ব্যালটে থেকে যান।

অপরদিকে নির্বাচনে বিএনপি ছাড়াও মঞ্জুর আলমকে সমর্থন দেয় জামায়াতে ইসলামি। মঞ্জুর আলমের সমর্থনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে দলটি। এছাড়া আরো আটটি দল ও সংগঠন মঞ্জুরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানায়।

এদিকে প্রায় তিন সপ্তাহের টানা প্রচারণার পর ১৭ জুন বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় শুরু হয় বন্দর নগরীর এই নির্বাচন। সকালে মেঘের ঘনঘটা থাকলেও বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দেখা দেয় রোদের ঝিলিক। বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলে।

এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর নির্বাচন কমিশনের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়। দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দেখা দেয় উত্তেজনা। নির্বাচনের ফল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অভিযোগ মঞ্জুরের পক্ষে তার প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক বিএনপি নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর একটি সংবাদ সম্মেলন করলে দেখা দেয় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। এমনই উদ্বেগ রূপ নেয় সংঘর্ষে। যার রেশ পড়ে রাজধানী ঢাকাতেও। নয়াপল্টনে বিএনপি সমর্থকরা বিক্ষোভ মিছিল ও বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করে।

জীবন থাকতে ভোট ডাকাতি হতে দেব না বলে প্রতিপক্ষের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটির প্রার্থী এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। প্রধান দুই প্রার্থীর সমর্থক ও কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পরপরই রাত সোয়া ১২টার দিকে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যারিকেড ভেঙে স্টেডিয়ামের জিমনেশিয়াম সংলগ্ন সংরক্ষিত এলাকায় আওয়ামী লীগের শতাধিক লোক নিয়ে সমাবেশ করেন তিনি। তবে রাত আড়ায়টায় অবস্থান ত্যাগ করেন মহিউদ্দিন।

নির্বাচন উপলক্ষে আগেই চট্টগ্রাম মহানগরীতে বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। ভোটকেন্দ্রসহ নির্বাচনী এলাকায় মোতায়েন করা হয় সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর প্রায় ২০ হাজার সদস্য।

এরআগে গত ১১ মে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ড. এটিএম শামসুল হুদা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি) নিবাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। এরপর দিন ১২ মে দেশের প্রথম মহিলা ব্যক্তি হিসেবে রির্টানিং অফিসারের দায়িত্ব বুঝে নেন ইসির উপ-সচিব জেসমিন টুলী।

গত ২৮ মে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়। শাহ আমানত মাজারে জুমা নামাজ আদায়ের পর মাজার জিয়ারতের মধ্যদিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মহিউদ্দিন এবং দক্ষিণ কাট্টলীর সৈয়দ জরিফ আলী শাহর মাজার জিয়ারতের মধ্যদিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন মঞ্জুর আলম।

অবশ্য ২০ মে জামালখানের নির্বাচন অফিস থেকে প্রার্থীরা নিজ নিজ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। ২২ ও ২৩ মে মনোনয়নপত্র বাছাই এবং ১ জুন ছিলো মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৪ জুন থেকে মটরসাইকেল চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। একইসঙ্গে নির্বাচন বিধি অনুযায়ী প্রধান দুই মেয়র প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাতে আসা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সংসদ সদস্য এবং নেতাকর্মীরাও চট্টগ্রাম ত্যাগ করেন। ১৫ জুন মধ্যরাতে শেষ হয় নির্বাচনের প্রচারণা। ১৬ জুন মধ্যরাত থেকে অনুমোদিত ছাড়া সব ধরনের যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

নির্বাচনের পূর্বেই বিভিন্ন সময়ে নির্বাচন কমিশন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে ৬৭৩টি কেন্দ্রের ৪ হাজার ৭৫৩টি ভোটকক্ষে মোট ১৬ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৬ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ ছিলো। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ লাখ ৭৩ হাজার ১৬৫ এবং মহিলা ভোটার ৮ লাখ ১৫ হাজার ৫১১ জন। এদের মধ্যে প্রায় এক লাখ প্রতিবন্ধী এবং ৩ লাখ সংখ্যালঘু ভোটার। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৫ সালের ৯ মে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের চেয়ে এবার ভোটার বেড়েছে সাড়ে ৫ লাখ।

এছাড়া সুষ্ঠ নির্বাচন করতে নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছেন ৬৭৩ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ৪ হাজার ৭৫৩ জন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং ৯ হাজার ৫৯৬ জন পোলিং অফিসার।

এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন মোট ৭ জন প্রার্থী। এছাড়া ৪১টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রার্থীর সংখ্যা ২৪৯ জন। ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মহিলা কাউন্সিলর পদে প্রার্থী ৫৩ জন।

তবে মূলত লড়াই হয়েছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নাগরিক কমিটির প্রার্থী এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও বিএনপি সমর্থিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ মঞ্জুর আলমের মধ্যে। মহিউদ্দিন জাহাজ প্রতীক ও মঞ্জুর আলম আনারস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। আনারস আর জাহাজ বিতর্কের আড়ালে পড়ে যায় কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply