কুমিল্লার লাকসামে অপহরণ মামলায় ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই শ্রীঘরে

আবুল কালাম,লাকসাম থেকেঃ
কুমিল্লার লাকসামে অপহরণ মামলায় গৃহকর্তাকে ফাঁসাতে গিয়ে গৃহপরিচারিকা ও তার পিতা এখন শ্রীঘরে। গত রোববার (২৩মে) লাকসাম থানা পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে কুমিল্লা কোর্টে প্রেরণ করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৬ মাস পূর্বে নাঙ্গলকোটের ঘোড়াময়দান গ্রামের জামাল উদ্দিনের কন্যা ফাতেমা আক্তার (১৪) এতিম পরিচয়ে কান্নাকাটি করে লাকসাম পৌরসভার মিয়া পাড়াস্থ আবুল খায়েরের বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ নেয়। কিছুদিন পর গৃহকর্তাকে না জানিয়ে সে পালিয়ে আত্মগোপন করে।
এদিকে, ২০০৯ সালের ৭ই ডিসেম্বর ফাতেমার পিতা বাদি হয়ে গৃহকর্তা আবুল খায়েরসহ ৪ জনকে আসামি করে লাকসাম থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার সূত্র ধরে গত রোববার নাঙ্গলকোট উপজেলার গোহারুয়া গ্রামের স্থানীয় জনতা ফাতেমাকে আটক করে থানা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে লাকসাম থানা পুলিশ ওই গ্রামের আক্কাছ চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ফাতেমাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লাকসাম থানার এসআই কামরুল ইসলাম জানান, আটককৃত গৃহপরিচারিকা ও তার পিতা-মাতা, মামলার আসামি তোফায়েলসহ ৪ জনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ফাতেমা জানায়, সে আবুল খায়েরের বাসা থেকে পালিয়ে প্রথমে একই উপজেলার ইরুয়াইনের জাহাঙ্গীর আলম ও পরে পশ্চিমগাঁয়ের ব্যাংক কর্মকর্তা আনোয়ার উল্লাহর বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ নেয়। শনিবার আনোয়ারের বাসা থেকে না বলে বাড়িতে বাবা-মা’র সাথে দেখা করতে যাওয়ার পথে নাঙ্গলকোটের গোহারুয়ায় স্থানীয় জনতার হাতে আটক হয়।
অপর এক অভিযোগে জানা যায়, ফাতেমার বাবা অপহরণ মামলার হুমকি ও ভয় দেখিয়ে মিজান ও তোফায়েলের মাধ্যমে গৃহকর্তা খায়েরের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...