দেবিদ্বারে স্বামীর অত্যাচারে ছয় মাসের অন্ত:সত্বা স্ত্রীর মৃত্যু

দেবিদ্বার প্রতিনিধিঃ
দেবিদ্বার উপজেলার বাগুর গ্রামে বুধবার সন্ধ্যায় স্বামীর অত্যাচারে ছয় মাসের অন্ত:সত্বা স্ত্রী উম্মে কুলসুম আক্তার স্বর্প্নার (২০) মৃত্যু হয়েছে।
জানা যায়, ১৯৯৫ সালে মুরাদনগর উপজেলার শুসন্ডা গ্রামের মোহাম্মদ হোসেনের বড় মেয়ে ফারজানা বেগমের বিবাহ দেওয়া হয় দেবিদ্বার উপজেলার বাগুর গ্রামের ছামসুল হকের ছেলে আব্দুর রহিমের সহিত। কিন্তু ফারজানা তাহার ১ ছেলে ও ২ মেয়ে রেখে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। ফারজানার মৃত্যুর পর তার সন্তানদের লালন পালন করার জন্য তারই ছোট বোন উম্মে কুলসুম আক্তার স্বর্প্নাকে বিবাহ দেওয়া হয় তার স্বামীর সাথে। বিবাহের পর থেকেই পারিবারিক কলহের জেরদরে বিভিন্ন সময় স্বর্প্নাকে মারধর করতো। গত বুধবার সন্ধ্যায় ঘরে বিদ্যুৎ লাইট জালানোকে কেন্দ্র করে অন্ত:সত্বা স্বর্প্নার স্বামী আব্দুর রহিম তাকে মারধর করে। মারধরের এক পর্যায় স্বর্প্না বমি করতে করতে অজ্ঞান হয়ে পরলে তাকে প্রথমে চান্দিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্যে কুমিল্লায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ খবর পেয়ে বুধবার রাতেই লাশ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সকালে ময়না তদন্তের জন্যে কুমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন। এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার স্বর্প্নার বাবা বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহতের বাবা মোহাম্মদ হোসেন জানান, ওই পাসন্ড তার মেয়েকে প্রায় সময়ই মারধর করতো এবং বলতো তোকে মেরে আমি জেল খাটবো। এব্যাপারে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জাহেদুল ইসলাম জানান, ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসলে বলা যাবে স্বর্প্নার মৃত্যু মারধরের কারনে হয়েছে না অন্য কোন কারনে।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...