শত অভিযোগের পরও রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে কুমিল্লার রফিক || সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসীর অভিযোগ

স্টাফ রিপোটার :
অসীম ক্ষমতার অধিকারী তিনি। অসংখ্য অভিযোগ থাকলেও তার বিরুদ্ধে টু-শব্দটি পর্যন্ত করার সাহস পাচ্ছেনা কেহ। বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার করেছেন সে লক্ষ্যে কাজ করছেন সরকার। দেশ থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, চোরাকারবারী, দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন যে ঘোষণা দিয়েছেন সন্ত্রাসীরা যে দলেরই হউক এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সন্ত্রাসীদের কোন দল বা গোষ্ঠী নেই। এ ঘোষণার পর থেকে দেশব্যাপী সন্ত্রাসী কর্মকান্ড স্থিতিশীল থাকলেও অসীম ক্ষমতার অধিকারী ক্ষমতাধর এ ব্যক্তিটি স্পর্ধে বহাল থেকে নির্বিঘেœ তার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে গতকাল বৃহসপতিবার বিকেলে শহরের একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন। একই এলাকার মোস্তাক আহমেদ। সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাক আহমেদ আরো জানায়, আইজি ডি-আইজি ও র‌্যাব সহ প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগে তার নামে অসংখ্য অভিযোগ দেয়া হলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে তা দামাচাপা পড়ে যায়। প্রচন্ড এ ক্ষমতাবান ব্যক্তি কুমিল্লা শহরের দক্ষিণ চর্থা (থিরাপুকুর পাড়) এলাকার মৃত কোরবান আলী সরর্দারের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪০) বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী মহলের প্রভাব খাটিয়ে অবাধে চোরাচালান জমি-বাড়ি দখল, পুকুর দখল, চাদাঁবাজী, মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ সহ এমন কোন হেন কাজ নেই সে করেনি। এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সহ বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগে জানা যায়, রফিকুল ইসলামের ক্ষমতার অবৈধ দাপটে অতিষ্ট এলাকার মোস্তাক আহমেদ এর পরিবার। বর্তমানে তার প্রতিকার দাবি করে আইনশৃংখলা বাহিনীর নিকট গত ৩০ মার্চ এক লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো জানান, ক্ষমতার পালাবদল ঘটলেও রফিকের ক্ষমতার দাপট অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগে তিনি আরো জানান, ১৯৮৬ সালে রেইসর্কোস এলাকার জনৈক ইকবাল হোসেনকে রফিকুল ইসলামসহ তার সঙ্গীয় সন্ত্রাসী বাহিনী নির্মম ভাবে কোপিয়ে হত্যা করে। এছাড়াও ১৯৯৯ সালে দক্ষিন চর্থা এলাকার জনৈক আক্তাররে নিকট ২ লক্ষ টাকা চাদাঁ দাবী করে চাদার টাকা না পেয়ে আক্তারকে মারপিট করে নিজের একটি আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে পুলিশের নিকট সোপর্দ করেন। ৪ বছর সাজা ভোগ করাকালীন আক্তারের বাবা পুত্র শোকে ষ্ট্রোক করে মারা জান। ২০০১ সালে বি,এন,পি,র ছত্র ছায়ায় থেকে নীরবে বহু অসমাজিক কর্মকান্ড ও তার জন্মদাতা পিতাকে টাকার জন্য সমাজে লাঞ্ছিত করেন। বর্তমান মহাজোট সরকার আমলে স্থানীয় সাংসদ হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহারের নাম ভাঙ্গিয়ে আবারো তার দলীয় সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এলাকার অসহায় মানুষের ক্ষতি করে আসছে, যা কিনা হাজী বাহারের রাজনৈতীক ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন্য করা ছাড়া আর কিছুই নয়। আমি হাজী বাহার সাবের রাজনৈতীক ভাবমূর্তি রক্ষাসহ এই সন্ত্রাসী সিন্ডিকেটের প্রধান রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতে আইনশৃংখলা বাহিনীসহ মাননীয় সাংসদও সাংবাদিক ভাইদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। অত্যন্ত আক্ষেপের সাথে একাধিক এলাবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন। রফিকের অনুসারী কোন অপরাধীকে ধরা পুলিশের কাছে খুবই কষ্ট সাধ্য ব্যাপার। রফিকের এই সন্ত্রাসী সিন্ডিকেট হরহামেশায় এলাকায় তাদের সন্ত্রাসী তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। অত্যন্ত দু:খের ব্যাপার প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে তারা অপ্রীতিকর, অসামাজিক কার্যক্রম প্রতিনিয়ত বি¯তৃত করে আসছে তাদের ব্যাপারে বিভিন্ন সময় আইনের হস্তক্ষেপ কামনা করে নিরীহ এলাকাবাসী আজ তাদের চক্ষ্যুশূল ও সে সাথে মিথ্যা মামলা ও মোটা অংকের চাঁদাবাজির শিকার হতে হ”্ছ।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...