দেবিদ্বারে এসএসসি পরীক্ষার্থীনী ধর্ষণ মামলা অভিযুক্ত আসামীদের কেউ গ্রেফতার হয়নি

দেবিদ্বার প্রতিনিধিঃ
দেবিদ্বার উপজেলার বাকসার উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীনী কে ধর্ষন করার প্রায় এক সপ্তাহ পরও থানা পুলিশ শুক্রবার বিকেলে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এছাড়াও এখনো আদালতে ওই ভিকটিমের জবানবন্দী এবং ডাক্তারী পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়নি। অপর দিকে মামলার আসামীরা স্থানীয় একটি প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় থেকে মামলার অভিযোগ থেকে রেহাই পাওয়ার কৌশল হিসেবে ওই স্কুল ছাত্রীর সাথে ধর্ষক রিপনের বিয়ের প্রস্তাবে মামলা প্রত্যাহারের হুমকী দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়াগেছে।
জানা যায় গত শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে রোববার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত দেবিদ্বার উপজেলার বাকসার গ্রামের একটি বাড়িতে আটকে রেখে একই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থী রিপন স্থানীয় মনির,সোগাগ এবং ছেপাড়া গ্রামের তাজুল ইসলাম তাজুর সহযোগিতায় তাকে উপর্যুপরি ধর্ষন করে । পরে রোববার রাতে অচেতন অবস্থায় ওই স্কুল ছাত্রীকে তার বাড়ির পাশে ফেলে যাওয়ার পর তাকে কুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । এ নিয়ে গত মঙ্গলবার বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর পুলিশ ও মানবাধিকার কর্মীদের শুরু হয় দৌড়ঝাপ। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ওই স্কুল ছাত্রীকে বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দেয়া হলেও তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ওই স্কুল ছাত্রী বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলেই ধর্ষক রিপনসহ তার অপর ৩ সহযোগীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন । কিন্তু ওই মামলা দায়েরের পর পুলিশ এখনো অভিযুক্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। স্থানীয় লোকজন ও ভিকটিমের স্বজনরা জানান মামলা দায়ের করার পর অভিযুক্তরা স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় থেকে ওই অসহায় পরিবারকে মামলা প্রত্যাহারের হুমকী অব্যাহত রেখেছে। এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জাহেদুল ইসলাম জানান আসামীদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তাই এখনো কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে না। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার উল্লাহ জানান রোববার ওই ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা এবং জবানবন্দী গ্রহনের জন্য আদালতে নেয়া হতে পারে।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...