ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে তসলিমা নাসরিনের লেখা নিবন্ধকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দাঙ্গায় দু’জন নিহত

Taslima nasrin
স্টাফ রিপোর্টার :
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের কান্নাড়া ভাষার একটি পত্রিকায় ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করে বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের লেখা নিবন্ধকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দাঙ্গায় দু’জন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন। রক্তক্ষয়ী দাঙ্গার পর রাজ্যের শিমোগা জেলার চারটি স্থানে সকাল-সন্ধ্যা কারফিউ জারি করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন মারা গেছেন বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের গুলিতে। আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে নিক্ষিপ্ত পাথরের আঘাতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। এ ঘটনায় চারজন আহত হয়। পুলিশ বলেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় গুলি চালানো হয়। এতে একজন নিহত হয়।
রোববার কর্ণাটকের বহুল প্রচারিত কান্নাড়া প্রভা নামে দৈনিক পত্রিকায় বোরখা প্রথাকে কটাক্ষ করে তসলিমা নাসরিনের একটি নিবন্ধের কান্নাড়ি অনুবাদ ছাপা হয়। এর প্রতিবাদে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদ্দিউরাপ্পার নিজ জেলা শিমোগায় গতকাল প্রায় দেড় হাজার মুসলমান বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে কে বা কারা মিছিলে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। এ সময় ২০টি গাড়ি ভাংচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ গুলি চালালে একজন নিহত হন। রাজ্যের হাসসান জেলার পরিস্থিতিও থমথমে। সেখানে প্রায় ১৫ হাজার লোক তসলিমাবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে বিক্ষোভকারীরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে শিমোগার চার জায়গায় সকাল-সন্ধ্যা সান্ধ্য আইন জারি করা হয়। বিক্ষোভ চলাকালে কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর ও দোকানপাটে অগি্নসংযোগ করা হয়। এ অবস্থায় রাজ্য বিধানসভায় এক বিবৃতিতে মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদ্দিউরাপ্পা বলেন, শিমোগা ও হাসসানের পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...