কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে ডাকাতদের বন্দুকযুদ্ধঃ র‌্যাবের দুই সদস্য ও এক ডাকাত আহত

ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার কল্পবাস এলাকায় গত শনিবার দিবাগত রাতে র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে আন্তজেলা ডাকাত দলের বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। এতে একজন ডাকাত ও র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি এলজি ও বন্দুকের দুটি গুলি।
আহত ব্যক্তিরা হলেন, র‌্যাব-১১-এর কর্মরত কর্পোরাল কামরুল হাসান ও কনস্টেবল জামাল হোসেন এবং আন্তজেলা ডাকাত দলের নেতা মো. মঞ্জু মিয়া (৪০)। মঞ্জুর বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শেরপুর রঙ্গারপাড় গ্রামে। এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মামলা হয়েছে।
পুলিশ ও র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারী রাতে ডাকাতেরা কুমিল্লা শহরতলির আড়াইওড়া গ্রামের ফল বিক্রেতা মো. আনোয়ার হোসেন ওরফে বাদলকে হত্যা করে। এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাতে জেলার শাসনগাছা রেলস্টেশন এলাকা থেকে মঞ্জু মিয়াসহ চারজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব ও পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে মঞ্জু জানান, তাঁর দলের সদস্যরা শনিবার রাতে কল্পবাস গ্রামে যাবে। এর ভিত্তিতে মঞ্জুকে নিয়ে র‌্যাব ও পুলিশের একটি দল রাত তিনটার দিকে কল্পবাস গ্রামে যায়। টের পেয়ে ডাকাতরা র‌্যাব ও পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। জবাবে র‌্যাব ও পুলিশ পাল্টা ১৯টি গুলি ছোড়ে। এ সময় দুজন র‌্যাব সদস্যের শরীরে গুলি লাগে। অন্যদিকে ডাকাত মঞ্জু পেছনের দিকে পালানোর চেষ্টা করলে তাঁর ডান পায়ে গুলি লাগে।
দুই র‌্যাব সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত মঞ্জু মিয়াকে প্রথমে কুমিল্লা সদরে এবং পরে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুর্নবাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়েছে।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মতিউল ইসলাম ও ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি এ কে নজিবুল ইসলাম বলেন, মঞ্জু একাধিক হত্যা, ডাকাতি ও অস্ত্র মামলার আসামি। তাঁর দেওয়া তথ্যমতে ডাকাত খোরশেদ ও মনিরকে গ্রেফতার করতে গেলে ডাকাতরা র‌্যাব ও পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে তিনজন আহত হন। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...