BIGtheme.net http://bigtheme.net/ecommerce/opencart OpenCart Templates
Home / সাহিত্য / অন্যান্য / এ পৈশাচিক কর্মকান্ড জাতির জন্য লজ্জাজনক
shakil molla

এ পৈশাচিক কর্মকান্ড জাতির জন্য লজ্জাজনক

মোঃ শাকিল মোল্লা

আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা কোন না কোন দলের সাথে জড়িত। বর্তমানে ব্যবসার সাথে জড়িত সব দল ও শ্রেণী পেশার লোক। তারপরও বলব ব্যবসায়ীরা রাজনীতির লোক নন, নন শিল্পপতিরাও। তারা ব্যস্ত থাকেন যার যার ব্যবসা, শিল্প অথবা কারখানা নিয়ে। লাভ বা মুনাফা অর্জনই তাদের উদ্দেশ্য। এহেন ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিরা যখন রাস্তায় নামেন তখন বুঝতে হবে তারা বিপদে পড়েছেন। তারা বিপদে কেন, বস্তুত বিপদে ব্যবসা ও অর্থনীতি। পূর্বের মতো এবারও রাস্তায় ব্যবসায়ীরা। এটা পরিষ্কার, তারা বর্তমান সহিংস অবরোধ ও হরতালের পরিসমাপ্তি চান। তারা নির্বিঘেœ ব্যবসা করতে চান।
ফরাসি স¤্রাট নেপোলিয়ন একদা মন্তব্য করেছিলেন, ক্ষমতা আমার প্রণয়িনী, আমি শিল্পীর মতো ক্ষমতাকে ভালোবাসি। গায়ক যেভাবে তার ভায়োলিনকে ভালোবাসে, আমি ক্ষমতাকে সেরকম ভালোবাসি। আর ইংরেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী লর্ড একটনের মন্তব্য হল, ক্ষমতা সবাইকে কলুষিত করে এবং নিরংকুশ ক্ষমতা মানুষকে নিরংকুশভাবে কলুষিত করে। নেপোলিয়ন বোনাপার্ট দুনিয়া কাঁপানো ফরাসি বিপ্লবের জাতক বলে সমধিক পরিচিত। ফ্রান্সের বুকে তার উত্থান এক বিস্ময়কর ঘটনা। যশ, খ্যাতি ও সুনাম অর্জনের পাশাপাশি নিন্দাও কম কুড়াতে হয়নি তাকে। তবুও সমগ্র ইউরোপ তথা বলতে গেলে গোটা দুনিয়ায় নেপোলিয়নের কীর্তিকলাপ ইতিহাস হয়ে রয়েছে। ফরাসি স¤্রাট চতুর্দশ লুুই দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি দিন, টানা ৭৪ বছর রাজত্ব করেছেন বলে ধরা হয়। ব্রিটিশ সা¤্রাজ্যে মহারানী ভিক্টোরিয়া রাজত্ব করেছেন ৬৪ বছর। আমাদের উপমহাদেশে আকবর, আওরঙ্গজেব প্রমুখ মোগল স¤্রাটও এক একজন অর্ধশতাব্দীকাল ধরে শাসনদন্ড পরিচালনা করেছেন। আর ২০, ২৫ কিংবা ৩০, ৩৫ বছর রাষ্ট্রক্ষমতার স্বাদ আস্বাদন করেছেন এমন দৃষ্টান্ত তো চারদিকে অনেকই রয়েছে। সেসবের বিপরীতে ক্ষমতাপ্রিয় নেপোলিয়নের বোধকরি ২০ বছরও ক্ষমতা ভোগ করার সুযোগ হয়নি। ক্ষমতাকে শিল্পীর মতো ভালোবাসলে কী হবে, ক্ষমতা কিন্তু তাকে সেভাবে আঁকড়ে ধরে থাকার সুযোগ দেয়নি। আর তাই তার উত্থান যেমন বিস্ময়কর, পতনও ছিল নানা নাটকীয়তায় পরিপূর্ণ। অন্যদিকে জীবনভর রাজনীতি করেছেন, অথচ কোনোদিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাবলয়ে যাওয়ার কথা ভাবেননি, এমন মানুষের দৃষ্টান্তও অনেক রয়েছে। দৃষ্টান্ত আছে ক্ষমতাসীন অবস্থায় জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থেকেও সসম্মানে দায়িত্ব থেকে অবসর নেয়ার। আবার বিশেষ কোনো ঘটনা মনে ভীষণভাবে রেখাপাত করায় কেবল রাজনীতি নয়, জীবনের লক্ষ্যই আমূল পরিবর্তন করে কেউ কেউ জগদ্বিখ্যাত হয়ে রয়েছেন।
চোখের সামনেই আমরা দেখতে পাচ্ছি ব্যবসা ও অর্থনীতি আগুনে পুড়ছে দেশ। মানবিক ক্ষতির কথা বলছি না। প্রতিদিন কত মানুষ আগুনে পুড়ছে, কত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে এর সংখ্যা হিসাব করা হয়তো যাবে; কিন্তু আর্থিক মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। এ পৈশাচিক কর্মকান্ড জাতির জন্য যেমন লজ্জাজনক, তেমনি ব্যবসায়িক ও আর্থিক ক্ষতি অবহনযোগ্য।
আমাদের দেশে বিনা পুঁজিতে চাকরি বা দৃশ্যমান কোনো পেশায় জড়িত না হয়ে স্বল্প সময়ে সহজে অঢেল সম্পদ বা বিত্ত-বৈভবের মালিক হওয়ার জন্য রাজনীতি ও ক্ষমতা ছাড়া আর কোনো সহজ পথ খোলা আছে বলে জানা নেই। রাজনীতি ও রাষ্ট্রক্ষমতা এখানে যথার্থই মধুর হাঁড়ি। বৈধ-অবৈধ ক্ষমতা প্রয়োগ করে এক একজন উপরে উঠতে উঠতে যেন আকাশকেও ছাড়িয়ে যেতে চান। দেশে ও বিদেশে অঢেল সম্পদ, বাড়ি-গাড়ি, প্লট-ফ্ল্যাট, ব্যাংক ব্যালেন্স, অপরিমেয় আরাম-আয়েশ, অতিদ্রুত খ্যাতি-যশ যে কারও পক্ষে এ সবকিছুই অর্জন করা সম্ভব রাজনীতি ও ক্ষমতার সঙ্গে যোগসূত্র থাকলে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় দেশে রাজনীতিই এখন সবচেয়ে লাভজনক পেশা। আর রাজনীতির পাশাপাশি রাষ্ট্রক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকলে তো কথাই নেই।
ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে নিজের বা নিজেদের কায়েমি স্বার্থ হাসিল কিংবা রক্ষা করার জন্য উচ্চাভিলাষী রাজনীতিকরা কী করতে পারেন আর কী করতে পারেন না, তা নতুন করে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নেই। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এবং একবার কোনোরকমে ক্ষমতায় যেতে পারলে তা ধরে রাখা বা দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য যে কোনো উপায় অবলম্বন করা রাজনীতিকদের একটি স্বাভাবিক প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হলে কিংবা রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা অথবা যথার্থ জবাবদিহিতার ব্যবস্থা থাকলে এ ধরনের প্রবণতা হয়তো বা থাকত না। দায়িত্বশীল ও কর্তব্যপরায়ণ এবং সত্যিকারের দেশপ্রেমিকের হাতে কখনও ক্ষমতা অর্পিত হলে তিনি সবসময় শংকা-সংশয়ের মধ্যে থাকেন এই ভেবে যে, কখন কোথায় জানি এর অপপ্রয়োগ হয় অথবা প্রয়োগে ব্যত্যয় ঘটে। পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বাঙ্গালীর হাসির গল্প গ্রন্থে উল্লিখিত নাপিত ডাক্তার শিরোনামের গল্পটি হয়তো অনেকেরই পড়া আছে কিংবা পড়া না থাকলেও শুনেছেন। এ প্রসঙ্গে আড়াই হাজার বছর আগে প্রাচীন ভারতের মৌর্য যুগে ফিরে যাই। পন্ডিত কৌটিল্য বলেছেন, মূর্খের মধ্যে সবসময় সাহস বেশি থাকে। যে কোনো কার্য সাধনের জন্য সাহস থাকা প্রয়োজন। অনেক সময় বুদ্ধিমান ব্যক্তিরও সাহসের অভাব থাকে। ফলে কার্যহানি ঘটে। তবে অজ্ঞ লোকরা অনেক সাহসী হয়ে থাকে। দুঃসাহসিক কাজ করতে পারে। শিক্ষার অভাব থাকায় তাদের ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা থাকে না। এমন সাহস সম্পন্ন অজ্ঞ লোকের মাধ্যমে যে কোনো শ্রমসাধ্য ও দুষ্কর কার্য অনায়াসে সাধন করা যায়। ওই ব্রাহ্মণ পন্ডিত যথার্থই বলেছেন। অজ্ঞ ও মূর্খ ব্যক্তিরা শ্রমসাধ্য ও দুষ্কর কাজ সহজে করতে পারে। কিন্তু কথা হচ্ছে রাজনীতি ও রাজনীতিকদের নিয়ে। এক্ষেত্রে শ্রমসাধ্য ও দুষ্কর বলে কী আছে জানা নেই। তবে এটা বাস্তব, সত্যিকারের রাজনীতিক হতে হলে কিংবা কখনও ক্ষমতার বলয়ে অবস্থান করলে অগাধ জ্ঞান, বিদ্যা-বুদ্ধি ও পড়াশোনা, নিখাদ দেশপ্রেম এ সবকিছুই থাকতে হবে। একবিংশ শতকে রাজনীতি করবেন আর ইতিহাস, সংবিধান, গণতন্ত্র, মৌলিক অধিকার, কর্তব্য ও দায়িত্ববোধ ইত্যাদি বিষয়ে জাতিকে প্রতিনিয়ত সবক বা পাঠ দিয়ে যাবেন; অথচ প্লেটো, অ্যারিস্টটল বা মেকিয়াভেলিকে চিনবেন না, জানবেন না, বুঝবেন না! জাতির বৃহত্তর স্বার্থে বিশেষ মুহূর্তে রবীন্দ্রনাথ বা নজরুলের মতো ব্যক্তিদের মনীষাকে কাজে লাগাতে হলেও তো তাদের সম্পর্কে পড়াশোনা থাকা চাই।
অনেকদিন আগের কথা। ইটালির সিসিলি দ্বীপে সিরাকুজা নামে একটি নগর ছিল। সেখানকার রাজা ডাইওনিয়াস ছিলেন অত্যন্ত নিষ্ঠুর প্রকৃতির শাসক। তিনি খুবই কুৎসিত জীবনযাপন করতেন। এজন্য তার শত্রুর সংখ্যাও ছিল অনেক। তারা সবসময় তাকে হত্যা করার চেষ্টা করত। রাজা এ সবকিছু জেনেশুনেও মন পরিবর্তন করতেন না। ভোগ-বিলাসের মধ্যেই দিন কাটাতেন। একদিন এক মন্ত্রী রাজাকে বললেন, মহারাজ, আপনি সত্যিই ভাগ্যবান। আপনি বেশ সুখে আছেন। বেশ, তাহলে একদিনের জন্য তুমি রাজা হও- হেঁসে উত্তর দিলেন রাজা। পরদিন সকালে মন্ত্রী সিংহাসনে বসলেন। রাজা সরু সুতা দিয়ে বেঁধে একটি ধারালো তলোয়ার মন্ত্রীর মাথার ওপর ঝুলিয়ে রাখলেন। যে কোনো মুহূর্তে সেটা ছিঁড়ে পড়তে পারে। মন্ত্রী খুব ভয় পেলেন। না জানি কখন ওই তলোয়ার তার মাথায় পড়ে। সোনার থালায় সুস্বাদু খাবার সাজিয়ে মন্ত্রীকে খেতে দেয়া হল। কিন্তু মন্ত্রীর নজর কেবল মাথার ওপরে। কখন যে মৃত্যু নেমে আসে কে জানে। আর সহ্য করতে পারলেন না তিনি। হঠাৎ চিৎকার করে সিংহাসন ছেড়ে পালিয়ে যেতে উদ্যত হলেন। রাজা জিজ্ঞেস করলেন, এত সুখ ছেড়ে পালাচ্ছ কেন? যতক্ষণ ওই তলোয়ার মাথার ওপর ঝুলছে, ততক্ষণ সুখ নেই- মন্ত্রী উত্তর দিলেন। তাহলে বোঝা যায়, ক্ষমতার জন্য সবাই সবসময় লালায়িত থাকেন না। ক্ষমতা কখনও কখনও কারও জন্য বিড়ম্বনারও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিল। বহু কষ্টে ৬ থেকে সাড়ে ৬ শতাংশ জাতীয় প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে অনেক দিন যাবৎ। অর্থনীতির সব ম্যাক্রো সূচক ইতিবাচক। অর্থনীতি শক্ত-সবল ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে। দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছিলেন, কৃষকরা যখন একের পর এক সাফল্য দেখিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময়ই সহিংসতা, নাশকতামূলক কর্মকান্ড। বাস পুড়ছে, ট্রাক পুড়ছে, রেলগাড়ি পুড়ছে, মানুষ দগ্ধ হচ্ছে, দগ্ধ নিরীহ মানুষ মৃত্যুবরণ করছে। চট্টগ্রামে পণ্য যেতে পারে না। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আমদানিকৃত পণ্য আসতে পারছে না। ব্যবসায়ীদের পণ্য দেশের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারছে না। পোশাক খাতের কাজ বিঘিœত হচ্ছে। শ্রমিকরা সময়মতো হাজিরা দিতে পারছে না, বাড়ি ফিরতে পারছে না। লাখ লাখ ট্রাক-বাস টার্মিনালে দিন কাটাচ্ছে। লাখ লাখ ট্রাক-বাস কর্মচারী-শ্রমিক বেকার। তাদের দৈনন্দিন মজুরি-বেতন পাওয়ার ব্যবস্থা নেই। কৃষিপণ্য ক্ষেতে মারা যাচ্ছে। এসব কাঁচামাল ধরে রাখার উপায় নেই। ক্ষেতেই পচছে, নষ্ট হচ্ছে এসব পণ্য। কৃষকের পণ্যের কোনো ক্রেতা নেই। শাকসবজি ইত্যাদির মৌসুম এখন। আলু, পটল, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, বরবটি, বেগুন ইতাদির মৌসুম এখন। কৃষক অফুরন্ত ফলিয়েছে। অথচ এর দাম নেই। ফড়িয়া, মধ্যবিত্ত ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বিঘিœত। আবাসন শিল্পের মালিকরা ফতুর। বেচা-কেনা বন্ধ। এ শিল্পের শ্রমিকরা বেকার। আবাসন শিল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত শত ধরনের শিল্পের কাজে চলছে মন্থরতা। ইট, বালি, সিমেন্ট, রড ব্যবসায় মন্দা। হোটেল সব খালি। পর্যটনের সঙ্গে জড়িত হোটেল-মোটেল শিল্প ব্যাপকভাবে বিপর্যন্ত। নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যটনের মৌসুম। অথচ পর্যটন কর্মীরা হতাশার জীবন কাটাচ্ছে। খুচরা দোকানে বিক্রি নেই। মলগুলোতে লোক নেই। বাণিজ্য মেলা জমেনি এবার। বেচাকেনার পরিমাণ হতাশাজনক। বইমেলা শুরু হয়েছে। ক্রেতা নেই। সহিংস রাস্তায় কে বেরোবে, তাও ছেলেমেয়েদের নিয়ে। কাঁচাবাজার ফাঁকা। মাছ-মুরগির ব্যবসায় মন্দা। শীতকালে হাঁসের মাংস খায় মানুষ। বাজারে এরও সরবরাহ ও চাহিদা নামমাত্র। হকারদের তো মরণদশা। শীতবস্ত্র বিক্রেতাদের ব্যবসা যাচ্ছে খুবই খারাপ। এক কথায় অর্থনীতির এমন কোনো খাত নেই যে খাত আক্রান্ত নয় মন্দায়।
চলছে ‘ক্যাশের’ সংকট। ব্যাংকের এক শাখা থেকে অন্য শাখায় ক্যাশ যায় পুলিশ প্রহরায়, লাগে ট্রান্সপোর্ট। কোথায় পুলিশ, কোথায় ট্রান্সপোর্ট? ফলে চলছে ‘ক্যাশ’ সংকট। ব্যাংকাররা প্রমাদ গুনছেন। ব্যবসা খারাপ মানেই ব্যবসায়ীর ‘ক্যাশ ফ্লো’ বিঘিœত। তার বেচাকেনা না হলে সে ব্যাংকের টাকা দেবে কোত্থেকে। আসছে প্রস্তাব ঋণ পুনঃতফসিলের, পুনর্গঠনের। এর অর্থই ব্যাংকের ক্ষতি। কোনো ব্যাংকই এ ক্ষতি থেকে রেহাই পাবে না। রেহাই পাবে না। পরিশেষে বলতে চাই দলের চেয়ে ‘দেশ-বড়’। দুঃখ হচ্ছে একটা, হতাভাগা এই দেশে চলে উল্টোটি। এখানে ‘দেশের চেয়ে দল বড়’, ‘দলের চেয়ে নেতা বড়’, ‘নেতার চেয়ে ছেলে-মেয়ে বড়’। এ অবস্থায় বর্তমান চলমান পরিস্থিতির ফল কী দাঁড়াবে, তা দেখার বিষয়।
============================
লেখকঃ সংবাদকর্মী,
E-mail: shakilmolla@gmail.com

Check Also

image-546465

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আলোচনার ভিত্তিতে সংশোধনের আশ্বাস আইনমন্ত্রীর

প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ছয়টি ধারাকে স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে বাধা বলে আখ্যায়িত করেছে সম্পাদক পরিষদ। ...

Leave a Reply