সর্বশেষ সংবাদ:
You are here: Home » প্রচ্ছদ » নাসিরনগরে চাঁদা না পেয়ে প্রবাসীর বাড়ির ৩৪টি গাছ কেটে নিয়েছে সন্ত্রাসীরা

নাসিরনগরে চাঁদা না পেয়ে প্রবাসীর বাড়ির ৩৪টি গাছ কেটে নিয়েছে সন্ত্রাসীরা

নাসিরনগর/ সেপ্টেম্বর ১২ (কুমিল্লাওয়েব ডটকম)—–
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে লাখ টাকা চাঁদা চেয়ে না পেয়ে আলাউদ্দিন নামে এক প্রবাসীর বাড়ি থেকে ৩৪টি গাছ কেটে নিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় থানায় চাঁদাবাজি মামলা রুজু হলেও আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। উল্টো আসামিরা ওই প্রবাসীর বাড়িতে গিয়ে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে যাচ্ছে। এতে মামলার বাদী আলাউদ্দিনসহ তার পরিবারের লোকেরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।
মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নের জেঠাগ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে মো. আলাউদ্দিন দীর্ঘ দিন ধরে বিদেশে চাকুরি করেন। সম্প্রতি তিনি দেশে ফিরলে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী সোহেল, জসিম, নোয়াব, মাহফুজ মিয়াসহ কয়েকজন আলাউদ্দিনের কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। গত ১ সেপ্টেম্বর সকালে সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রবাস ফেরত আলাউদ্দিন এর বাড়ির ২৮টি ফলন্ত সুপারি গাছ, ৫টি আমগাছ ও ১টি মেহগনী কাঠের কাছ কেটে নিয়ে যায়। আলাউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, সন্ত্রাসীরা আমার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিল। টাকা না দেওয়ায় তারা আমার বাড়ি থেকে বিভিন্ন জাতের প্রায় ৫৫ হাজার টাকার গাছ কেটে নিয়ে গেছে। বিষয়টি এলাকার চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়েও কোন সুফল পাওয়া যায়নি। মামলা করেও বিপাকে পড়েছি। তারা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। বাড়িতে এসে সন্ত্রাসীরা নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। তারা চেয়ারম্যানের দাপটে এসব করছে। এ বিষয়টি থানাপুলিশকে জানিয়েছি।
এদিকে জেঠাগ্রামের একাধিক নারী ও পুরুষ অভিযোগ করে বলেন, সন্ত্রাসী জসিম ও সোহেলের অত্যাচারে এলাকার অনেকে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তারা নিরীহ মানুষকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান তাদের সকল অপকর্মের মদদ দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের অত্যাচারের ভয়ে অনেকে প্রতিবাদ করার সাহস করে না।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জসিম মিয়া গাছ কাটার কথা স্বীকার করে বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি নিস্পত্তি করার উদ্যোগ নিয়েছেন। আপনারা চেয়াম্যানের সাথে কথা বলুন।
এ বিষয়ে গোকর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। জসিমসহ অন্যরা আমার কাছে এসেছিল। কিন্তু আলাউদ্দিন আসেনি। সে আসলে এ বিরোধটি আমি মিমাংসা করে দিব।
এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাসিরনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মলয়ন্দ্র বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। আসামি গ্রেফতারে এলাকায় তিন দফা অভিযান চালানো হয়েছে। অপরাধীরা গাঢাকা দিয়ে আছে।

(স্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

সর্বমোট পঠিত: 10

সর্বশেষ সম্পাদনা: September 13, 2012 at 8:17 pm

প্রিজম আইটি: ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট-এর জন্য যোগাযোগ করুন- ০১৬৭৩৬৩৬৭৫৭

Scroll To Top
Close
Like Us on Facebook
Click the Like Button to get Free Update