মনোহরগঞ্জ সংবাদদাতা :
মনোহরগঞ্জে সন্ত্রাসীদের বাধায় প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারেনি ২ শিক্ষক। গতকাল উপজেলার আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের একটু অদূরে এ ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় শিক্ষক,ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।ফলে এ উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, গতকাল উপজেলার আমতলী উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করার জন্য নাজমুল আলম ও জহিরুল আলম নামে দুইজন পরীক্ষার্থী বিদ্যালয় যাওয়ার পথে অজ্ঞাত নামা ৫/৬ জন সন্ত্রাসী এদের দরখাস্ত ও সনদপত্রসহ দেখতে চায়। এতে তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে অস্বীকার করলে সন্ত্রাসীরা জোর পূর্বক তাদের সনদের মূল কপিসহ ফাইল ছিনিয়ে নেয় এবং সন্ত্রাসীদের মধ্যে একজন বলেন, এই স্কুলে প্রধান শিক্ষক পদে চাকুরী হলে শুধু মাত্র কামালের হবে। কামাল স্কুল ম্যানিজিং কমিটির প্রভাবশালী সদস্য আলমের ভাগিনা বলে জানা যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, গত ২০ এপ্রিল একই পদে সাক্ষাতকার অনুষ্ঠিত হলেও সেখানেস্কুল ম্যানিজিং কমিটির প্রভাবশালী সদস্য আলমের পছন্দের লোক নির্বাচিত না হওয়ায় ইন্টারভিউ বাতিল করা হয়।সূত্রে জানা যায়, গত ০৯ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৭ জনের মধ্যে মোঃ কামাল ৭ম স্থান অধিকার করেন। কিন্তু ১ম স্থান অর্জনকারীর নাম ঘোষনা না দেয়ায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এদিকে স্থানীয়দের মতে নামে মাত্র ইন্টারভিউ নিয়ে কামালকে নিয়োগ দেয়ার পাঁয়তারা চলছে। ইন্টারভিউতে অংশগ্রহণ করতে না পারায় দুই শিক্ষক পূনরায় স্বাক্ষাতকার গ্রহণ ও সন্ত্রাসী হমলার শাস্তি দাবী জানান।
ডিজির প্রতিনিধি হিসাবে ইন্টারভিউ বোর্ডে উপস্থিত থাকা কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রাশেদা বেগম বলেন, ফলাফল ঘোষনার জন্য সব কিছুতেই আমি স্বাক্ষর করে এসেছি। দুইজন শিক্ষকের কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে শুনেছি। তবে আমি কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি ।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান জানান,নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল এখনো ঘোষনা হয়নি। বিদ্যালয় সীমানার বাহিরে দুইজন শিক্ষকের কাগজ পত্র নিয়ে গেছে বলে আমি শুনেছি।
comillaweb.com The First Online Newspaper of Greater Comilla