BIGtheme.net http://bigtheme.net/ecommerce/opencart OpenCart Templates
Home / প্রচ্ছদ / কুমিল্লা জেলা / ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম অংশ সড়ক নয় যেন মরন ফাদঁ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম অংশ সড়ক নয় যেন মরন ফাদঁ

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (কুমিল্লা) থেকেঃ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার অংশের ৪২ কিলোমিটার সড়ক এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। গত ৭ মাসে এ সড়কে নানা দূর্ঘটনায় কমপক্ষে শতাধিক লোক নিহত এবং প্রায় তিন গুন বেশী লোক আহত হয়েছে। এর ফলে পঙ্গুত্ব বরণ করেছে অনেকে। সার্বিক অবস্থায় মনে হচ্ছে এই মৃত্যুপুরী দেখার যেন কেউ নেই।
সংস্কারের সাড়ে ৩ বছরের মাথায় দেশের ব্যস্ততম এ মহাসড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আবার কোথাও কোথাও দেবে গিয়ে এবং কার্পেটিং উঠে এবড়ো থেবড়ো অবস্থা বিরাজ করছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের লোকজন মাঝে মধ্যে নিম্নমানের ইটের রাবিশ আর মাটি ফেলে সংস্কারের নামে সরকারি অর্থ অপচয় করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। সপ্তাহখানেক পরই আবার আগের সেই বেহাল দশার সৃষ্টি হয়। এতে মহাসড়কে প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা, সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের, বাড়ছে যাত্রী দুর্ভোগ।
চৌদ্দগ্রাম এলাকায় গত ৭ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় শতাধিক লোক নিহত এবং প্রায় ৩ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে। মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার ও মিয়ার বাজার এলাকার সড়কটিতে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিনই এসব গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে যাত্রীবাহী বাস থেকে শুরু করে মালবাহী ট্রাক ও লরী। ট্রাক ও বাসের মতো বড় গাড়িগুলো ধীরগতিতে কোন মতে পার হতে পারলেও প্রাইভেট কার ও ছোট অটো রিক্সাগুলো চলাচল করতে হয় ঝুঁকি নিয়ে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) সূত্রে জানা যায়, এ সড়ক দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সারাদেশের পণ্য আনা নেয়ার কাজ চলে। প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার যানবাহন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে। এর মধ্যে ৮ হাজার ট্রাক ও লরি রয়েছে। সওজ সংশিষ্ট একজন প্রকৌশলী জানান, ঢাকা-চট্টগাম মহাসড়কের উপর দিয়ে চলমান যানবাহনের পেছনের দুই চাকার সর্বোচ্চ ২০ টন ওজন পরিবহনের ধারণ ক্ষমতা হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছে। কিন্তু এখন সিংগেল এক্সেলের ট্রাক ও লরি পণ্য বহন করে প্রায় ৩৫ টন। ফলে রাস্তার উপর এ বাড়তি ওজনের যে চাপ পড়ছে তাতে রাস্তার বিটুমিন ও কংক্রিটের কিছু অংশ সরে যাচ্ছে। এছাড়া মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামের ৪২ কিলোমিটার এলাকা মেরামতকালে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ঢাকার লালমাটিয়ার কনকর্ড প্রগতি কন্সট্রাকশনের বিরুদ্ধে কাজের মান নিয়ে তখনও প্রশ্ন উঠেছিল। এ নিয়ে কাজ চলাকালে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। মেরামতের সময় নিম্নমানের বিটুমিন ও পাথর ব্যবহার করার কারণে মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সরকারের প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করা সড়কটি আবারও আগের জায়গায় ফিরে যায়। অবিলম্বে এ সড়ক মেরামতের ব্যবস্থা করে সড়ক দূর্ঘটনার এবং প্রাণহানির হাত থেকে যাত্রীসাধারনকে রক্ষার জন্য বিভিন্ন পরিবহন মালিক, সংগঠনসহ সচেতন মহল সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

Check Also

Muradnagar=23-03-19=

করিমপুর মাদরাসায় বোখারী শরীফের খতম ও দোয়া

মো. হাবিবুর রহমান :– কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার করিমপুর জামিয়া দারুল উলূম মুহিউস্ সুন্নাহ মাদরাসায় ১৪৪০ ...